TANGAIL JUDGE COURT OF BANGLADESH
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন (Writ Petition) দায়ের করার সুযোগ রয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মৌলিক অধিকার সংকুচিত বা খর্ব হলে, অথবা সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত কোনো সংস্থা কর্তৃক বেআইনি সিদ্ধান্ত বা উচ্ছেদ নোটিশ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হলে রিটের মাধ্যমে কার্যকর আইনি প্রতিকার পাওয়া যায়। হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করা একটি উচ্চমানের প্রফেশনাল আইনি বিষয় যা সুনির্দিষ্ট সাংবিধানিক জ্ঞান দাবি করে। হাইকোর্ট বিভাগের নিয়মিত আইনজীবী এডভোকেট আব্দুর রহমান আসাদ সফলভাবে বিভিন্ন রিট আবেদন ও সরকারি সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ক্লায়েন্টদের জন্য সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করে আসছেন।
আমরা হাইকোর্ট বিভাগে নিম্নলিখিত রিট পিটিশন ও মামলাসমূহ সফলভাবে পরিচালনা করছি:
সাধারণত দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতে যেসব প্রতিকার পাওয়া যায় না বা যেখানে দ্রুত রুল জারি করা অত্যন্ত জরুরি, সেখানে রিট ফাইল করতে হয়। যেমন, কোনো ব্যাংক বা ঋণ প্রদানকারী সংস্থা যদি নিয়মের বাইরে গিয়ে আপনার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়, অথবা কোনো সরকারি বিভাগ যদি আপনার লাইসেন্স বেআইনিভাবে বাতিল করে দেয়, তবে হাইকোর্টে রিট দায়েরের মাধ্যমে সেই সিদ্ধান্তের ওপর স্থগিতাদেশ বা স্টে অর্ডার এবং রুল নিশি (Rule Nisi) জারি করানো যায়।
রিট পিটিশন দায়ের করতে হলে প্রথমে একটি খসড়া পিটিশন ও শপথনামা (Affidavit) প্রস্তুত করা হয়। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যেমন- লাইসেন্স কপি, সরকারি চিঠি, বা কারণ দর্শানোর নোটিশ পিটিশনের সাথে সংযুক্ত করে হাইকোর্টের এফিডেভিট সেকশনে জমা দিতে হয়। শুনানি শেষে বিজ্ঞ বিচারপতিরা যদি সন্তুষ্ট হন, তবে রুল ইস্যু করেন এবং অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ প্রদান করেন। পরবর্তীতে রুল শুনানির দিন চূড়ান্ত রায় বা জাজমেন্ট দেওয়া হয়।
রিট মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত নিম্নলিখিত নথিসমূহ প্রস্তুত রাখা আবশ্যক:
এডভোকেট আব্দুর রহমান আসাদ সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগের প্র্যাকটিস পরিচালনার সুবাদে টাঙ্গাইল জেলার ক্লায়েন্টদের জন্য উচ্চ আদালতে আইনি লড়াই পরিচালনা করে থাকেন। টাঙ্গাইলের বাসিন্দা বা ব্যবসায়ীরা ঢাকায় সশরীরে না এসেও নির্ভরযোগ্যভাবে হাইকোর্টের রিট ও আপিল মামলা পরিচালনা করতে পারছেন।
উত্তর: সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশের যেকোনো সংক্ষুব্ধ নাগরিক বা প্রতিষ্ঠান যার আইনি বা মৌলিক অধিকার সরকারি বা আধা-সরকারি কোনো সংস্থা বা সিদ্ধান্তের কারণে লঙ্ঘিত হয়েছে, সে হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করতে পারে।
উত্তর: যখন কোনো সরকারি সংস্থা বা কর্মকর্তা তার আইনগত দায়িত্ব বা অর্পিত কাজ করতে অবহেলা বা অস্বীকৃতি জানান, তখন তাকে সেই আইনানুগ কাজ করতে বাধ্য করার জন্য ম্যানডামাস রিট দায়ের করা হয়।
উত্তর: হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করে শুনানির সময় বিজ্ঞ বিচারপতিদের নিকট তাত্ক্ষণিক অপূরণীয় ক্ষতির যুক্তি উপস্থাপন করতে পারলে আদালত অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ বা স্টে অর্ডার (Stay Order) প্রদান করেন।
উত্তর: কোনো নাগরিককে যদি আইনবহির্ভূত বা অবৈধ উপায়ে আটক বা গুম করা হয়, তবে তাকে আদালতের সামনে হাজির করার জন্য এবং তার আটকের বৈধতা পরীক্ষার নির্দেশ চেয়ে হাইকোর্টে এই রিট করা হয়।
উত্তর: হাইকোর্টের রায় বা আদেশ অমান্য করা আদালত অবমাননা (Contempt of Court) হিসেবে গণ্য হয়। রিট মামলার রায় কোনো পক্ষ বা সংস্থা অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে কনটেম্পট পিটিশন দায়ের করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়।